Warning: Undefined variable $entry1 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry1 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry11 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry7 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry5 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry5 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry12 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry7 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry1 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry7 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry5 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry7 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry2 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry12 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry7 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry5 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry4 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry2 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry1 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry10 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry7 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry2 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry13 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry7 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry12 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry2 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry7 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Undefined variable $entry5 in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php on line 1

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php:1) in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/plugins/gtranslate/gtranslate.php on line 90

Warning: Cannot modify header information - headers already sent by (output started at /home/tourseba/justnews24.tv/wp-content/themes/p-paper/functions.php:1) in /home/tourseba/justnews24.tv/wp-includes/feed-rss2.php on line 8
জীবনযাপন – justnews24.tv https://justnews24.tv Just News 24 Sat, 31 Jan 2026 05:45:33 +0000 en-US hourly 1 https://wordpress.org/?v=7.1.2 https://justnews24.tv/wp-content/uploads/2026/08/jn24-icon-80x80.png জীবনযাপন – justnews24.tv https://justnews24.tv 32 32 ভরিতে ১৪ হাজার কমলো সোনার দাম https://justnews24.tv/1384/ https://justnews24.tv/1384/#respond Sat, 31 Jan 2026 05:45:31 +0000 https://justnews24.tv/?p=1384 একটানা দাম বাড়ার পর অবশেষে সোনার ক্রেতাদের জন্য দীর্ঘদিন পর এলো সুখবর। প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৬০০ টাকা পর্যন্ত কমেছে। ফলে ভালো মানের সোনার দাম কমে ২ লাখ ৭১ হাজার টাকায় নেমে এসেছে।

৩০ জানুয়ারি শুক্রবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন এই দাম আজ ১০টা ৪৫ মিনিট থেকে কার্যকর হয়েছে।

এর আগে টানা পাঁচবার দাম বেড়ে শেষবার গতকাল বৃহস্পতিবার দাম বেড়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় উঠেছিল। বাংলাদেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম ছিল এটি।

বাজুস জানিয়েছে, তেজাবি (পিওর গোল্ড) সোনার দাম কমে যাওয়ায় স্থানীয় বাজারে দাম কমেছে।

দেশের বাজারে নতুন দাম অনুযায়ী সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম দুই লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকা, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ৫৯ হাজার টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি দুই লাখ ২২ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম এক লাখ ৮২ হাজার ৮৩৩ টাকা।

সোনার দামের সঙ্গে কমেছে রুপার দামও। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৭ হাজার ৭৫৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা ৭ হাজার ৪০৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৭৮২ টাকা।

এদিকে আন্তর্জাতিক বাজারেও কমেছে সোনার দাম। শুক্রবার আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৫ হাজার ২০০ ডলারে নেমে এসেছে। যা গতকাল ৫ হাজার ৫৫০ ডলার ছাড়িয়েছিল। বিশ্বজুড়ে স্বর্ণ ও রুপার দামের নির্ভরযোগ্য ওয়েবসাইট গোল্ডপ্রাইস.ওআরজি সূত্রে জানা গেছে এ তথ্য।

]]>
https://justnews24.tv/1384/feed/ 0
আপনার স্বাস্থ্য বদলে দিতে সকালের ”একটি” অভ্যাসেই যথেষ্ট https://justnews24.tv/1239/ https://justnews24.tv/1239/#respond Tue, 02 Dec 2025 04:18:53 +0000 https://justnews24.tv/?p=1239 সুস্থ জীবনযাপনের জন্য নিয়মিত ব্যায়াম, পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত হাঁটা গুরুত্বপূর্ণ—এগুলি আমরা জানি। কিন্তু দৈনন্দিন রুটিনের ছোট ছোট অভ্যাসও আমাদের সার্বিক স্বাস্থ্যের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। , প্রতিদিন সকালে মাত্র ৫–১০ মিনিট সূর্যের আলোতে দাঁড়ানোই হতে পারে আপনার শক্তি, মনোযোগ ও মানসিক সুস্থতার চাবিকাঠি।

দিনের প্রথম ঘণ্টায় সামান্য সময় সূর্যের আলো পাওয়া শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ হরমোনকে সক্রিয় করে। নিয়মিত এই অভ্যাস রোজ করলে কোরটিসল লেভেল এবং মেজাজ দুটোই ভালো থাকে। মাত্র ৫–১০ মিনিট সূর্যালোক আপনার দিনকে বদলে দিতে পারে।

প্রথমত, কোরটিসল লেভেল বাড়ায়: সকালের সূর্যালোক শরীরে স্বাভাবিকভাবে কোরটিসল নিঃসরণ বাড়ায়, যা ‘মর্নিং অ্যালার্টনেস’ তৈরি করে। এটি মনোযোগ বাড়ায় এবং সারাদিন কাজের শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।

দ্বিতীয়ত, সেরোটোনিন নিঃসরণ বৃদ্ধি করে: সূর্যের আলো মস্তিষ্কে সেরোটোনিন হরমোনের নিঃসরণ বাড়ায়, যা মানসিক শান্তি, ইতিবাচক ভাব এবং ভালো অনুভূতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত। সেরোটোনিন বেশি থাকলে মন খারাপ, অবসাদ বা অনুপ্রেরণাহীনতা কমে যায়।

তৃতীয় উপকারিতা হলো মেলাটোনিন নিয়ন্ত্রণ ও ভালো ঘুমে সহায়তা করা। সকালের সূর্যালোক আমাদের সার্কাডিয়ান রিদম ঠিক রাখে—এটি শরীরের ২৪ ঘণ্টার অভ্যন্তরীণ ঘড়ি। সার্কাডিয়ান রিদম সঠিক থাকলে রাতে স্বাভাবিকভাবে মেলাটোনিন নিঃসরণ বৃদ্ধি পায়, ফলে গভীর ও আরামদায়ক ঘুম পাওয়া যায়। ভারতের ন্যাশনাল ক্যানসার ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, এই রিদম ঘুম–জাগরণ, হরমোনের কার্যক্রম, শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে। দিনের শুরুতে আলো পাওয়াই এই রিদম নিয়ন্ত্রণ করার সবচেয়ে সহজ উপায়।

এভাবে প্রতিদিন সকালে মাত্র ৫–১০ মিনিট সূর্যালোক নেওয়া সহজ অভ্যাস আপনার মানসিক অবস্থা, মনোযোগ, শক্তি এবং ঘুমের মান সবকিছু উন্নত করতে পারে। ব্যস্ত জীবনে বড় পরিবর্তন শুরু হয় ছোট অভ্যাস থেকে, তাই আজ থেকেই এটি শুরু করা যেতে পারে।

]]>
https://justnews24.tv/1239/feed/ 0
প্রথম দিনে সেন্টমার্টিনে গেলেন ১১৭৪ পর্যটক https://justnews24.tv/1200/ https://justnews24.tv/1200/#respond Mon, 01 Dec 2025 12:03:27 +0000 https://justnews24.tv/?p=1200 সোমবার (১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টা থেকে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া বিআইডব্লিউটিএ জেটিঘাট থেকে তিনটি পর্যটকবাহী জাহাজ রওনা দেয়। জাহাজগুলো হলো কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, এমবি বার আউলিয়া এবং কেয়ারি সিন্দাবাদ। এই জাহাজে মোট ১১৭৪ জন পর্যটক সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। দুপুর ১টার পর জাহাজগুলো সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে পৌঁছে। বিকেল ৩টার দিকে ওই জাহাজগুলো আবার কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। তবে আজ তারা দ্বীপে রাত্রীযাপন করবেন।

সেন্টমার্টিন রুটের পর্যটকবাহী জাহাজ মালিকদের সংগঠন ‘সি ক্রুজ অপারেটর ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’-এর সাধারণ সম্পাদক হোসাইন ইসলাম বাহাদুর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি দুই মাস জাহাজ চলাচল করবে, দিনে সর্বাধিক দুই হাজার পর্যটক দ্বীপে পৌঁছাতে পারবেন। ঘাটে আরও চারটি জাহাজ প্রস্তুত রয়েছে, যা পর্যায়ক্রমে অনুমতি নিয়ে যাত্রা শুরু করবে।

নির্দেশনা ও প্রশাসনের নজরদারি

জাহাজ যাত্রার আগে কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া জেটিতে জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান বলেন, “প্রথম দিনে তিনটি জাহাজ নির্ধারিত নিয়মে যাত্রা করেছে। প্রতিটি পর্যটককে ট্রাভেল পাসসহ টিকিট নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। দ্বীপে প্রতিদিন সর্বাধিক দুই হাজার পর্যটক পৌঁছাতে পারবে। প্রশাসন কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে।”

পরিবেশ অধিদফতরের কক্সবাজার কার্যালয়ের পরিচালক মো. জমির উদ্দিন জানান, জাহাজগুলোকে কঠোর তল্লাশির মধ্যে রাখা হয়েছে। পর্যটক সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে রাখা হচ্ছে এবং দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা চালানো হচ্ছে।

ট্যুরিস্ট পুলিশ কক্সবাজারের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, “প্রতি জাহাজে পর্যটকদের নিরাপত্তায় পুলিশ উপস্থিত। ঘাটে এবং জাহাজে নিয়মিত নজরদারি করা হচ্ছে।”

প্রথম দিনে কেয়ারি সিন্দাবাদ জাহাজের টিকিট অতিরিক্ত বিক্রির কারণে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। কক্সবাজার সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াছমিন বলেন, “ট্রাভেল পাস ছাড়া টিকিট বিক্রি করা যাবে না। নিয়ম ভঙ্গের কারণে জরিমানা করা হয়েছে।”


পর্যটন নিয়ন্ত্রণ ও পরিবেশ নির্দেশনা

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সেন্টমার্টিন ভ্রমণের জন্য ১২টি নির্দেশনা জারি করেছে। সেগুলো হলো:

  • সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি বা বারবিকিউ নিষিদ্ধ।
  • কেয়াবন, কেয়া ফল সংগ্রহ বা বিক্রয় করা যাবে না।
  • সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুক ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্য ক্ষতি করা যাবে না।
  • সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ সকল মোটরচালিত যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধ।
  • নিষিদ্ধ পলিথিন বহন করা যাবে না। একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক, যেমন চিপস প্যাকেট, চামচ, স্ট্র, সাবান, শ্যাম্পু, ৫০০ ও ১০০০ মিলিলিটার বোতল বহন নিরুৎসাহিত।
  • পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নভেম্বরে পর্যটক শুধু দিনের বেলায় দ্বীপে আসতে পারবেন, রাত্রীযাপন করতে পারবেন না। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাত্রীযাপনের সুযোগ থাকবে।


সেন্টমার্টিনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নিরাপত্তা

সেন্টমার্টিন দ্বীপ বঙ্গোপসাগরের বুকে আট বর্গকিলোমিটার আয়তনের প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারের এই নির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতর মাঠে অবস্থান করছে, যাতে দ্বীপে কোনো ধরনের পরিবেশগত ক্ষতি না হয়।

পর্যটকরা জানুয়ারি মাস পর্যন্ত দ্বীপে যেতে পারবেন। ফেব্রুয়ারি থেকে আবার ৯ মাসের জন্য পর্যটক যাতায়াত বন্ধ থাকবে। প্রশাসনের কঠোর নজরদারি এবং সরকারি নির্দেশনা মানা নিশ্চিত করে সেন্টমার্টিনে সুরক্ষিত ও দুষ্প্রাপ্য প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ করা হচ্ছে।

]]>
https://justnews24.tv/1200/feed/ 0
বিশ্ব এইডস দিবস https://justnews24.tv/1132/ https://justnews24.tv/1132/#respond Mon, 01 Dec 2025 05:23:25 +0000 https://justnews24.tv/?p=1132 দেশে এইচআইভি বা এইডস সংক্রমণ উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে। সরকারি তথ্য বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশই সমকামী জনগোষ্ঠীর সদস্য। প্রতি বছর ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালিত হলেও সচেতনতার অভাব, পরীক্ষা-নিরীক্ষার সীমাবদ্ধতা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার ঘাটতির কারণে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে। ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে এইডস নির্মূলের লক্ষ্য নেওয়া হলেও বাস্তব পরিস্থিতি তা কঠিন করে তুলছে।

সম্প্রতি রাজধানীতে এলার্জি পরীক্ষা করতে গিয়ে এক তরুণের এইচআইভি শনাক্ত হয়। তিনি জানান, সমকামী সম্পর্কে যুক্ত হওয়াকে তিনি নিজের আক্রান্ত হওয়ার কারণ মনে করেন। তার ভাষায়, “একটা ভুলের জন্য সারাজীবন পস্তাতে হয়। আমি চাই না, আমার মতো কেউ এমন ভুল করুক।”

চিকিৎসকরাও একই উদ্বেগ জানিয়েছেন। ড. এ আর এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “বর্তমানে এইচআইভি আক্রান্তদের প্রায় ৪০ শতাংশই সমকামী। আরও প্রায় ৪০ শতাংশ বিদেশফেরত শ্রমিকদের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ে আসেন। বাকি আক্রান্তরা ব্লাড ট্রান্সফিউশন বা অন্যান্য ঝুঁকির কারণে এই রোগে আক্রান্ত হন।”

ঢাকার সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল দেশের একমাত্র বিশেষায়িত চিকিৎসা কেন্দ্র। চলতি বছর এখানে প্রায় ৩০০ জন এইচআইভি রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন, বর্তমানে ভর্তি আছেন ১২ জন। তবে কিট সংকট, জনবল স্বল্পতা ও প্রয়োজনীয় ল্যাব সুবিধার অভাবে রোগীরা যথাযথ সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরিফুল বাসার বলেন, “রোগীরা খুবই জটিল অবস্থা নিয়ে হাসপাতালে আসেন। তাদের অনেকেরই একাধিক রোগ থাকে, যেগুলোর জন্য উন্নত ল্যাব সহায়তা প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের সেই সুবিধা সীমিত।”

দেশব্যাপী এইডস শনাক্তকরণ কেন্দ্রগুলোতেও কিট সংকট দেখা দিয়েছে। তবে স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, কয়েক দিনের মধ্যেই এই সংকট কেটে যাবে। জাতীয় এইডস/এসটিডি কন্ট্রোলের পরিচালক ডা. মো. খায়রুজ্জামান জানান, “বিমানবন্দরের সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ডের কারণে কিট আনতে দেরি হয়েছে। খুব দ্রুতই কিট পাওয়া যাবে।”

আধিকারিক তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে এখন পর্যন্ত দেশে নতুনভাবে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪৩৮ জন, মারা গেছেন ১৯৫ জন। ২০২৩ সালে আক্রান্ত হন ১ হাজার ২৭৬ জন এবং মৃত্যু হয় ২৬৬ জনের। চলতি বছর আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এইচআইভি নিয়ে ভয় ও ভুল ধারণাই আক্রান্তদের চিকিৎসা এবং শনাক্তকরণ পিছিয়ে দিচ্ছে। মনে রাখতে হবে, একই বিছানায় ঘুমানো, একই প্লেটে খাবার খাওয়া বা দৈনন্দিন স্পর্শে এইডস ছড়ায় না। সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু করলে এইচআইভি আক্রান্ত ব্যক্তিরা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

সংক্রমণ বাড়ার এই সময়ে সচেতনতা, নিরাপদ আচরণ, সহজলভ্য পরীক্ষা এবং উন্নত চিকিৎসা—সবকিছুর সমন্বিত উদ্যোগই হতে পারে ২০৩০ সালের লক্ষ্যে পৌঁছানোর পথ।

]]>
https://justnews24.tv/1132/feed/ 0
বায়ুদূষণে স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে কী করবেন https://justnews24.tv/1061/ https://justnews24.tv/1061/#respond Fri, 28 Nov 2025 05:23:41 +0000 https://justnews24.tv/?p=1061 আজ শুক্রবার, দেশের সাপ্তাহিক ছুটির দিন। রাজধানী ঢাকায় আজকের সকালটি বায়ুর জন্য সবচেয়ে খারাপ বলা যায় চলতি মৌসুমে। সকালের দিকে বায়ুর মান ‘দুর্যোগপূর্ণ’ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার বায়ুর মান ছিল ৩৪০, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, বায়ুর মান ২০০-এর বেশি হলে তাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। ৩০০-এর উপরে পৌঁছালে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়।

বিশ্বের অন্যান্য নগরীর সঙ্গে তুলনা করলে দেখা যায়, আজকের দিনে বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে ভারতের নয়াদিল্লি, যার বায়ুর মান ৪২০। ঢাকার এই দূষণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার নিয়মিতভাবে তথ্য সংগ্রহ এবং লাইভ সূচকের মাধ্যমে নাগরিকদের সতর্ক করে। প্রতিষ্ঠানটি শহরের বায়ুর মান বিশ্লেষণ করে বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত তা প্রদর্শন করে।

  • ঢাকার এই দুর্যোগপূর্ণ বায়ুদূষণ থেকে সুরক্ষা পেতে নগরবাসীর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ও দূষণ বিশেষজ্ঞ আবদুস সালাম। তিনি বলেন আজ বাড়ির বাইরে না যাওয়াই সবচেয়ে ভালো। তবে যারা বাইরে যেতে বাধ্য, তাদের অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করা উচিত। বাইরে গিয়ে ব্যায়াম বা শারীরিক পরিশ্রম এড়ানো ভালো। এছাড়া, ঘরে থাকাকালেও যতটা সম্ভব জানালা-দরজা বন্ধ রাখা জরুরি।

বায়ুদূষণের এই পরিস্থিতি সচেতনতা এবং জরুরি প্রতিরোধ ব্যবস্থা না নিলে নগরবাসীর স্বাস্থ্যের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা নগরবাসীকে যথাযথ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানিয়েছেন।

]]>
https://justnews24.tv/1061/feed/ 0
মনকে শান্ত রাখুন: ঈর্ষা থেকে মুক্তির সহজ কৌশল https://justnews24.tv/991/ https://justnews24.tv/991/#respond Fri, 14 Nov 2025 03:56:55 +0000 https://justnews24.tv/?p=991 বাঙালির এক অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য আছে—যখন কেউ দেয়াল টপকে পালাতে চায়, বাকিরা ঠিকই তার পা ধরে রাখে। এই আচরণকে বলা হয় ‘পরশ্রীকাতরতা’—একটি বিশেষ বাংলা শব্দ, যার সঠিক প্রতিশব্দ বিশ্বের অন্য ভাষায় নেই। মূল ভাব হলো, অন্যের ভালো দেখে মনের অশান্তি তৈরি হওয়া।

ঈর্ষা শুধুই মন খারাপ করার কারণ নয়, এটি শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতারও জন্ম দিতে পারে। ওসিডি থেকে সিজোফ্রেনিয়া পর্যন্ত নানা সমস্যার সঙ্গে এর সম্পর্ক আছে। সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় নিজের ভেতরের শান্তির—মনের ক্রমাগত অশান্তি, সিদ্ধান্তহীনতা এবং সহজ বিষয়কেও জটিল মনে করা। শেক্সপিয়ার ঈর্ষাকে বলেছিলেন ‘গ্রীন আইড মনস্টার’—সবকিছুর ওপর বিষের সবুজ পর্দা টেনে দেয়।

এই সমস্যা দুই কারণে জন্ম নেয়—নিজের ভেতরের চাওয়া এবং সমাজের চাপ। সমাজ বলে, সবকিছুতে প্রথম হতে হবে, সকল ব্র্যান্ডেড জিনিস পেতে হবে। এই চাপের বাইরে আসা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। সহজ সমাধান হলো—সৎ ও সমঝদার মানুষের সঙ্গে থাকা, যারা বৈষয়িক প্রতিযোগিতায় বিশ্বাসী নয়, এবং নিজের মানসিকতা বদলানো।

ঈর্ষার শক্তি যদি সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, তবে এটি ধ্বংসাত্মক না হয়ে সহায়ক শক্তিতে রূপান্তরিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, পরীক্ষায় সাফল্য বা কাজে এগিয়ে যাওয়ার প্রতিযোগিতা। অন্যকে পেছনে ফেলার পরিবর্তে নিজের দক্ষতা বাড়ানোর প্রেরণা হিসেবে ব্যবহার করুন।

নিজের মন ও মানসিক শান্তি বজায় রাখার জন্য কিছু কার্যকর উপায় রয়েছে। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ ও তুচ্ছ বিষয় আলাদা করুন। নিত্যদিনের ছোটখাটো সমস্যার জন্য অতিরিক্ত টেনশন নেবেন না। গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোকে লিস্ট করুন এবং পর্যায়ক্রমে শেষ করুন।

আবেগ প্রকাশ করতে শিখুন। রাগ হলে দেয়ালে আলতো ঘুষি বা হাউ-মাউ করে কাঁদুন। কারো ওপর রাগ ঝাড়া সবসময় নিজের জন্য ক্ষতিকর, তাই আগে শান্ত হোন। হাসিও মনের শান্তির জন্য জরুরি।

অন্যকে সব সময় সন্তুষ্ট করার চেষ্টা করবেন না। বিনয়ের সঙ্গে ‘না’ বলতে শিখলে মানসিক স্বস্তি পাবেন। অপ্রয়োজনীয় দায়িত্ব এড়িয়ে চলুন। এছাড়া পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে হাসাহাসি, খোশগল্প বা ছেলেমেয়ের মাথায় হাত বুলানো—এগুলো মনের স্বস্তি বৃদ্ধি করে। ভালোবাসা প্রকাশ করুন, এটি মানসিক শক্তি বাড়াবে।

টিভি বা সিনেমা দেখলেই শরীর-মন শিথিল হবে এমন নয়। বরং দরজা বন্ধ করে আধ ঘণ্টার জন্য শুয়ে লম্বা দম নিয়ে শরীর শিথিল করুন। কল্পনা ব্যবহার করে নিজের চিন্তা ও দেহকে নিয়ন্ত্রণ করুন। প্রতিদিন এই অভ্যাস মেনে চললে ঈর্ষা ও টেনশন কমে যাবে এবং নিজেকে আরও শক্তিশালী ও সুখী মনে হবে।

]]>
https://justnews24.tv/991/feed/ 0
ডেস্কজবেও সুস্থ থাকুন: কিছু সহজ শরীরচর্চা https://justnews24.tv/987/ https://justnews24.tv/987/#respond Fri, 14 Nov 2025 03:49:54 +0000 https://justnews24.tv/?p=987 দীর্ঘ সময় ডেস্কে বসে কাজ করা শরীরের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। পিঠ ব্যথা, ঘাড়ের টান বা পেশীর শক্ত হয়ে যাওয়া—এগুলো অফিসে বসে কাজ করার সাধারণ সমস্যা। তবে অতিরিক্ত সময় নষ্ট না করেও সহজ কিছু শরীরচর্চা করে আপনি সুস্থতা বজায় রাখতে পারেন।

১. চেয়ার স্কোয়াট

চেয়ারে বসার অবস্থায় পা মাটি থেকে সরিয়ে কিছু সময় ধরে রাখা বা ধীরে ধীরে বসা-উঠা করুন। এটি পা ও পিঠের পেশীকে সক্রিয় রাখে।

২. ঘাড় ও কাঁধের স্ট্রেচ

কাঁধ উঁচু করে ধীরে ধীরে ঘুমিয়ে নামান, হাতে ছোট দোল তৈরি করুন। ঘাড় ও ঘাড়ের পেশী শিথিল হয়ে যায় এবং টান কমে।

৩. পা স্ট্রেচ

চেয়ার থেকে এক পা সরিয়ে টেবিলের নিচে সরাসরি স্থাপন করুন। কিছু সময় ধরে রাখার পর পা পরিবর্তন করুন। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং পায়ের ক্লান্তি কমায়।

৪. ঘাড়ের রোটেশন

দুই কাঁধ গোলকাকারে ঘুরিয়ে নিন। প্রথমে সামান্য, পরে ধীরে ধীরে বর্ধিত করুন। এটি ঘাড় ও পিঠের পেশী শিথিল রাখে।

৫. নেক স্ট্রেচ

মাথা ধীরে ধীরে এক পাশে ঝুঁকান, তারপর অন্য পাশে। ঘাড়ের সংবেদনশীল পেশী শিথিল থাকে এবং টান কমে।

অফিসের ব্যস্ত কাজের মাঝে এই সহজ ব্যায়ামগুলো নিয়মিত করলে শরীরের সুস্থতা বজায় থাকে, ক্লান্তি কমে এবং মনও সতেজ থাকে।

]]>
https://justnews24.tv/987/feed/ 0
দেয়ালের দাগ মুছে ফেলুন সহজ কিছু ঘরোয়া উপায়ে https://justnews24.tv/983/ https://justnews24.tv/983/#respond Fri, 14 Nov 2025 03:45:16 +0000 https://justnews24.tv/?p=983 আপনার বাড়িতে যদি ছোট শিশুসন্তান থাকে, তাহলে নিশ্চয় দেখেছেন, রঙিন পেন্সিল বা কলমের আঁকাবুকি দেয়ালের সৌন্দর্য নষ্ট করে দিতে পারে। ঘরের দেয়ালে পড়া এসব দাগ সহজে উঠে না, আর বারবার রং করানোও ব্যয়সাপেক্ষ। তবে ঘরে থাকা সাধারণ উপাদান ব্যবহার করেই আপনি সহজে দেয়ালের দাগ দূর করতে পারেন।

১. লেবুর রস

লেবুর রস প্রাকৃতিক ক্লিনজারের মতো কাজ করে। যে জায়গায় দাগ আছে, সেখানে লেবুর রস লাগিয়ে কয়েক মিনিট রেখে ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে দিন। এতে দেয়ালের রং ক্ষতিগ্রস্ত হবে না, তবুও দাগ উঠবে।

২. ভিনিগার

ভিনিগার শুধু রান্নায় নয়, ঘর পরিষ্কারের জন্যও কার্যকর। লিকুইড সাবানের সঙ্গে সামান্য ভিনিগার মিশিয়ে স্প্রে করুন দাগযুক্ত জায়গায়। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর ভেজা কাপড় দিয়ে আলতোভাবে মুছে ফেলুন। এই পদ্ধতিতে দাগ দ্রুত দূর হবে এবং দেয়ালের রংও ঠিক থাকবে।

৩. বেকিং সোডা

বেকিং সোডা দিয়ে দেয়ালের দাগ তুলে ফেলা যায়, তা’ও রং নষ্ট না করে। পানি দিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন এবং দাগের ওপর লাগিয়ে ১৫ মিনিট রাখুন। এরপর ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। দেখবেন কলম বা পেন্সিলের সব দাগ সহজেই উঠে গেছে।

৪. কর্নফ্লাওয়ার

কর্নফ্লাওয়ারও রঙিন পেন্সিলের দাগ দূর করতে কার্যকর। পানির সঙ্গে মিশিয়ে ঘন পেস্ট তৈরি করুন, দাগের ওপর লাগিয়ে প্রায় ১০ মিনিট রাখুন এবং ভেজা কাপড় দিয়ে মুছে ফেলুন। এতে দেয়াল পুরোপুরি পরিষ্কার হয়ে যাবে।

ঘরের এই সাধারণ উপাদানগুলো ব্যবহার করে আপনি দাগমুক্ত দেয়াল রাখতে পারেন, যা দীর্ঘ সময় ধরে ঘরের সৌন্দর্য বজায় রাখবে।

]]>
https://justnews24.tv/983/feed/ 0
ত্বকের ক্ষতি করতে পারে এই সংমিশ্রণগুলো—সতর্ক থাকুন! https://justnews24.tv/979/ https://justnews24.tv/979/#respond Fri, 14 Nov 2025 03:17:22 +0000 https://justnews24.tv/?p=979 ত্বককে উজ্জ্বল, মসৃণ এবং স্বাস্থ্যবান রাখতে আমরা নানা ধরনের স্কিন কেয়ার পণ্য ব্যবহার করি। আধুনিক পণ্যের অধিকাংশই রাসায়নিক উপাদান সমৃদ্ধ। কিন্তু একাধিক শক্তিশালী উপাদান একসাথে ব্যবহার করলে ত্বকে লালচে ভাব, জ্বালা বা শুষ্কতা দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেন, “Less is More”—অল্প হলেও যথেষ্ট।

বিশ্বের বিভিন্ন ত্বক বিশেষজ্ঞের মতে, চারটি সংমিশ্রণ আছে যা একসাথে ব্যবহার করলে ত্বকের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।

রেটিনল এবং আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড (AHA) উভয়ই ত্বকের যত্নে কার্যকর। তবে একসাথে ব্যবহার বিপজ্জনক। রেটিনল ত্বকের সুরক্ষাপ্রাচীর নাজুক করে, আর AHA সেই দুর্বল প্রাচীরের বন্ধন ভেঙে দেয়। এর ফলে ত্বক অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, সপ্তাহের ভিন্ন রাতে আলাদা আলাদা ব্যবহার করা উচিত।

ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ত্বককে দূষণ থেকে রক্ষা করে। কিন্তু অ্যাসিডিক প্রকৃতির কারণে রেটিনলের সঙ্গে একসাথে ব্যবহার করলে ত্বক আরও সংবেদনশীল হয়ে ওঠে। তাই বিশেষজ্ঞরা বলেন, ভিটামিন সি সকালে ব্যবহার করুন, আর রেটিনল রাতের বেলায়। এছাড়া ভিটামিন সি সর্বোচ্চ কার্যকারিতা পেতে অন্য সক্রিয় উপাদানের সঙ্গে মিশানো ঠিক নয়।

BHA ত্বকের তেল দূর করে এবং ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য উপকারী। তবে রেটিনলের সঙ্গে একসাথে ব্যবহার করলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, BHA ওয়াশ-অফ প্রোডাক্ট হিসেবে ব্যবহার করুন। ক্লিনজার হিসাবে এটি ৩০ সেকেন্ড থেকে এক মিনিটের মধ্যে ধুয়ে ফেলা হলে ত্বককে ক্ষতি না করে কাজ সম্পন্ন হয়, এরপর রেটিনল ব্যবহার করা যায়।

বেনজয়েল পারক্সাইড ব্রণ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে। তবে এটি রেটিনলকে দুর্বল বা নষ্ট করে দেয়। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, যদি বেনজয়েল পারক্সাইড ব্যবহার করতে হয়, তবে রেটিনলের বদলে অ্যাডাপালিন জেল ব্যবহার করুন। অ্যাডাপালিন বেনজয়েল পারক্সাইডের সঙ্গে ব্যবহার করলেও কার্যক্ষমতা ঠিক থাকে।

ত্বকের যত্নে মূল শিক্ষা হলো, শক্তিশালী উপাদান একসাথে ব্যবহার করবেন না। নতুন পণ্য ব্যবহার করার আগে Patch test করুন। Moisturizer ও Sunscreen ব্যবহার অপরিহার্য। “Less is More” নীতি মেনে চললে ত্বক থাকবে স্বাস্থ্যবান, উজ্জ্বল ও নিরাপদ। সঠিক সংমিশ্রণ ও নিয়ম মানলে দৈনন্দিন রুটিন থেকেই আমরা ত্বককে সুস্থ ও সুন্দর রাখতে পারি।

]]>
https://justnews24.tv/979/feed/ 0
শীতের শুরুতে কীভাবে থাকবেন ট্রেন্ডি ও কমফোর্টেবল https://justnews24.tv/975/ https://justnews24.tv/975/#respond Fri, 14 Nov 2025 03:03:47 +0000 https://justnews24.tv/?p=975 হালকা শীতের স্টাইল গাইড: আরাম, স্টাইল ও ফিট সব একসাথে

শীতকালে স্টাইলিশ হওয়া সহজ যদি কিছু ছোট বিষয় মাথায় রাখা যায়। রঙের মেলবন্ধন, পোশাকের কাট, টপ ও বটমের সঠিক সমন্বয়—এই কয়েকটি নিয়ম মেনে চললে শীতের পোশাকে ফিট থাকা যায় সহজেই।

ক্ল্যাসিক লুক

শীতকালের চিরায়ত পোশাক যেমন স্কিনি জিনসের সঙ্গে ঢিলেঢালা সোয়েটার—ক্ল্যাসিক ও বহুমুখী। বুট, অ্যাঙ্কেল বুট, হাঁটু পর্যন্ত বুট বা স্নিকার—সব ধরনের জুতোর সঙ্গে মানিয়ে যায়।
আরেকটি ক্ল্যাসিক লুক হলো চওড়া পায়ের প্যান্টের সঙ্গে ফিটিং কার্ডিগান, ক্রপড জাম্পার বা ছোট ব্লেজার। স্কার্টের ক্ষেত্রেও মিডি বা ম্যাক্সি স্কার্টের সঙ্গে লেগিংস ও ব্লেজার বা সোয়েটার পরা যেতে পারে।

ক্যাজুয়াল ও আরামদায়ক লুক

ওভারসাইজড জাম্পার, কার্ডিগান, চওড়া প্যান্ট ও লম্বা কোট দিয়ে সহজে ক্যাজুয়াল লুক তৈরি করা যায়। উদাহরণস্বরূপ—ওভারসাইজড জাম্পারের ওপর লম্বা কোট, নিচে লেদারের প্যান্ট, সঙ্গে স্নিকার। স্টেট জিনসের সঙ্গে লম্বা হাতার শার্ট ও নিটেড কার্ডিগানও সহজ আরামদায়ক বিকল্প।

স্টাইলিশ ও চিক লুক

স্টাইলিশ লুকের জন্য লেদারের মিডি স্কার্টের সঙ্গে লেগিংস, শর্ট ফিটিং জ্যাকেট ও হাঁটু পর্যন্ত লম্বা বুট ভালো। এছাড়া লম্বা প্লিটেড স্কার্টের সঙ্গে ক্রপড উলের জাম্পার, বা লম্বা উলের ড্রেসের সঙ্গে ব্লেজার ও কোমরে বেল্টেও চমৎকার লুক তৈরি হয়।

উৎসবমুখী ও নিত্যদিনের লুক

নিত্যদিনের ও উৎসবমুখী লুক দুটোই গুরুত্বপূর্ণ। সূক্ষ্ম কিন্তু নজরকাড়া রঙ, সাহসী কাট, ফ্লেয়ার ও ফাংশনালিটি—সব মিলিয়ে পোশাককে স্টেটমেন্ট পিসে পরিণত করে।
রঙের সংমিশ্রণ হিসেবে পান্না সবুজ, স্যাফায়ার, ক্রিম, মেরুন এবং ইলেকট্রিক ব্লু ব্যবহার করা হয়েছে। সঠিক ফিটিং ও রঙ নির্বাচন নিশ্চিত করলে লুক আরামদায়ক এবং স্মার্ট হয়।

অনুষ্ঠানের পোশাক

শীতকালে অনুষ্ঠানে ক্যাজুয়াল চিক লুকের জন্য—জিনসের সঙ্গে লম্বা হাতার উলের সোয়েটার বা স্কার্টের সঙ্গে পোলো নেক টপ।
সেমি-ফরমাল লুক চাইলে—স্কার্টের সঙ্গে ব্লেজার, অথবা মার্লিন প্যান্টের সঙ্গে লম্বা হাতার সোয়েটার। উষ্ণতার জন্য উলের কোট বা শাল যোগ করলে লুক আরও স্মার্ট হয়।

হালকা শীতে স্টাইলিশ থাকার মূল চাবিকাঠি হলো—ফিটিং, রঙের সঠিক নির্বাচন ও পোশাকের সঠিক সমন্বয়। সব ঠিক রাখলে আরাম, ফ্যাশন ও আত্মবিশ্বাস—সবই একসাথে থাকবে।

]]>
https://justnews24.tv/975/feed/ 0