বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. অনীক কৃষ্ণ কর্মকারকে তিন বছরের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ১০ বছর তিনি পরীক্ষা–সংক্রান্ত কোনো কাজে যুক্ত থাকতে পারবেন না।
পরিসংখ্যান বিভাগের প্রফেসর ড. প্রভাষ কুমার কর্মকার এবং ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহকেও বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে এ দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ যাচাইয়ে একটি তদন্ত কমিটি করা হবে। কমিটির প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বলে জানানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে নেওয়া ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে—
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশেষ কারণে শিক্ষার্থীদের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে ফাইন্যান্স বিভাগের একটি ঘটনার সঙ্গে তাদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে।
উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহা. মাঈন উদ্দীন বলেন, ১১ মে ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. হেদায়েত উল্লাহর কক্ষে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে এক নারী শিক্ষার্থীকে পাওয়া যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক সাংবাদিক, আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থী ও আরেক সাংবাদিকসহ তিনজনকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে। তাদের সার্টিফিকেটও বাতিল করা হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়কসহ আরও একজনকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।
সব সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেটের তারিখ থেকেই কার্যকর হবে।
]]>